মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা মোডলরা বছরের পর বছর ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে নীরব অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। গত তিন মাসে তুরস্কের লিরা তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছিল। কয়েক মাসের মধ্যে এটি ডলারের বিপরীতে ৬ টি তুর্কি লিরা থেকে ৮ লিরা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর তাৎক্ষনিক তুর্কি সেন্ট্রাল ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রনালয়ে হস্তক্ষেপ করেন সুলতান। নিজ জামাতা ও অর্থমন্ত্রী  বেরাত আল বায়রাক কে অর্থমন্ত্রী থেকে পদত্যাগের পরামর্শ দেন। এবং একে পাটির নেতা লুৎফি ইলভান কে নতুন অর্থমন্ত্রী ঘোষনা করেন।

সেই সময়টি ছিল ৮ ই নভেম্বর, যা ডলারের বিপরীতে ৮.৫২লিরার জন্য স্থায়ী হয়েছিল। এবং সুলতান কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রকের কিছু কার্য সম্পাদন করে পশ্চিমাদের সাথে কিছু পাল্টা নীতি গ্রহণ করেছিলেন। এটি রাতারাতি তুর্কি লিরা উত্থানের দিকে পরিচালিত করে। যা আজ অবধি ৬.৯৫ লিরাতে নেমে এসেছে। আশা করি পরের 2 মাসে এটি 6 লিরাতে নেমে আসবে।

অর্থাৎ গত ৮ই নভেম্বর যদি আপনি তুর্কি থেকে এক লক্ষ লিরা বাংলাদেশে পাঠাতেন এদেশের ব্যাংক সমূহ আপনাকে দিত ১০ লক্ষ টাকা। কিন্তু আজ দেবে ১২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। মানে গত কয়েক মাসে ২ টাকা ৩০ পয়সা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এক লিরার বিপরীতে।

এবার এক নজরে দেখুন তুর্কি সিমান্তবর্তী বাকী দেশ সমুহের মুদ্রার কি হাল করেছে আমেরিকা!
আজকের বাজার দর মতে..
১ ইউএস ডলার = ৪০,০০০ ইরানী রিয়াল।
১ ইউএস ডলার = ১,৪৬০ ইরাকী দিনার।
১ ইউএস ডলার = ৫১২ সিরিয়ান পাউন্ড।

শুধু তাই নয় রাশিয়া মত রাষ্ট্রের কি হাল করেছে দেখুন। ১ ইউএস ডলার = ৭৩ রাশিয়ান রুবল। মানে এক তুর্কি লিরা সমান ১০ রাশিয়ান রুবল। সোজা কথায় বাংলাদেশ ও রাশিয়ান মুদ্রার মান প্রায় সমান।

যখন এক ডলারের বিপরীতে ৮.৫০ লিরাতে গিয়ে টেকেছিল তখন আরব আমিরাতের বেকুব রাজপুত্ররা টুইট করে বলেছিল দেখুন এখনো সাডে আট লিরা আর কয়দিন পর ইরানী রিয়ালকেও ছাড়িয়ে যাবে।

ঐ বেকুব রাজপুত্র গুলো জানেনা আমেরিকা চলে ডালে ডালে সুলতান চলে পাতায় পাতায়। সুলতান যেহেতু অর্থনৈতিক যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে এখন আমাদের আর কোন চিন্তুা নেই। কারন ২০২৩ সাল পর্যন্ত ডলার লিরা ঘষা ঘষি চলবে এর পরে মুসলিম বিশ্বজুডে স্বর্ণ বিনিময় ও একক মুদ্রা ব্যাবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বে আমেরিকান ডলার কে কাটাল পাতা বানিয়ে ছাড়বে ইনশাআল্লাহ।

আরও সংবাদ

মুসলিমদের সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম মূল্য দিতে হবে চীনকে: জো বাইডেন

এবার উইঘুর মুসলিমদের সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম মূল্য দিতে হবে চীনকে। গত মঙ্গলবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এ সময় তিনি বলেন, চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সাথে যে আচরণ করা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছে পশ্চিমা দেশগুলো।

এ সময় উইঘুর মুসলিমদের সুরক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার কথাও জানান বাইডেন। তিনি বলেন, তাদের আটকে রাখা’সহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঘটনায় সারা বিশ্বে সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

বাইডেন বলেন, চীন বিশ্ব নেতা হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু অন্যান্য দেশের আস্থা অর্জন না করতে পারলে এবং মানবাধিকার বিরোধী কাজে যুক্ত থাকলে তা মোটেও সম্ভব নয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *